যে রাতে নীলার বাসায় থাকার প্লান করল-সে রাতেই আরিফের বুকে তীব্র ব্যথা উঠল। আরিফকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে। আরিফ মাত্র এসেছে বিদেশ থেকে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য। নীলা জলভরা চোখে তাকিয়ে আছে। সে কি আর ফিরবে! আরিফ সবসময় নীলাকে বলত, ওল্ডএজে আমাকে কেউ দেখার নাই; এই পৃথিবীতে আমার কেউ নাই। নীলা সবসময় বলত, তোমাকে আমি দেখব, তোমার সব করে দেব; তোমার কাছে আমি কিছু চাই না, আমার কোনো স্বার্থ নাই। আরিফ বলত, তুমি কেন করবা এতকিছু আমার জন্য! নীলা বলত, এমনি করব, ভালবাসি তাই করব। ভালবাসার এমনই শক্তি। অথচ আরিফের সাথে নীলার পরিচয় ফেসবুকে। দেখাও হয়েছে মাত্র একদিন। কিন্তু একটা গভীর সম্পর্কের ভিত রচিত হয়েছে। নীলা মেয়েটি দুঃখী টাইপের। পরীর মতো সুন্দর একটি মেয়ে কিন্তু সে যেমন একটা জীবনের স্বপ্ন দেখে সেরকম জীবন পায়নি। এইসব নানা ঘটনা নিয়েই প্রেমের উপন্যাস পরীর মতো মেয়ে। এই উপন্যাসে রয়েছে আরো অনেক চরিত্র, অনেক নাটকীয়তা।