সকল বই

হারানো ঠিকানা

হারানো ঠিকানা

Author: কৃষ্ণা বসু
Delivery Time: 25-45 Days , Cash on Delivery Available
  • বই উপহারঃ বই উপহারঃ
    বিস্তারিত
  • বই উপহার.. বই উপহার..
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফারঃ কম্বো অফারঃ
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফার.. কম্বো অফার..
    বিস্তারিত
  • ফ্রি ডেলিভারিঃ ফ্রি ডেলিভারিঃ
    বিস্তারিত
Price: ৳ 525.00
+ Add to Wishlist
Publisher আনন্দ পাবলিশার্স
ISBN9789350403112
Pages160
Reading Level General Reading
Language Bangla
PrintedIndia
Format Hardbound
Category গ্রন্থ
Return Policy

7 Days Happy Return

অকৃত পক্ষে এক হারিয়ে যাওয়া যুগের কাহিনি ‘হারানো ঠিকানা’। এক বালিকার চোখে দেখা হয়েছে অতীতের সেই বিস্মৃত সময়কাল। যাঁরা মিডনাইটস্চিলড্রেন অর্থাৎ জন্মেছেন স্বাধীনতার লগ্নে অথবা তার কিছুদিন পরে, তাদের অভিজ্ঞতায় নেই পরাধীনতার গ্লানি। তাই স্বাধীনতার সঠিক স্বাদ উপলব্ধি করা কঠিন। সেই মধ্য রাতে যখন ভারতীয় জাতি ভাগ্যের সঙ্গে এক ঐতিহাসিক অভিসারে চলেছে তখন লেখিকা বাল্যকাল অতিক্রম করে পা রেখেছেন যৌবনে। ঘটনাচক্রে প্রথম স্বাধীনতার দিনটি তিনি দেখেছেন দেশের রাজধানী দিল্লিতে। স্বাধীনতার আনন্দের সঙ্গে মিশে গিয়েছে দেশভাগের নির্মম বেদনা। শহর কলকাতার ছবি পালটে যাচ্ছে এক সাধারণ মেয়ের বড় হয়ে ওঠার আপাত তুচ্ছ দিনযাপনের সঙ্গে, অলক্ষ্যে এক জাতির ইতিহাসও এগিয়ে চলেছে আপন বেগে। ইংরেজ রাজত্বের চৌরঙ্গি, শহরতলি বিস্তৃত হচ্ছে দক্ষিণে, ডোভার লেনে শোনা যায় শেয়ালের ডাক। দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা-হাঙ্গামার মধ্যে রাসবিহারী অ্যাভিনিউর চারপাশে কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ মিলে গড়ে তুলছেন সাংস্কৃতিক পরিবেশ। দুটি সময়কালের স্তরে স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেন লেখিকা। নিতান্ত বাল্যকালে ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন দেখেছেন, আবার পরিণত বয়সে সিঙ্গাপুরে সেই সময়ে কী ঘটেছিল শুনেছেন জেনারেল ফুজিয়ারার কাছে। লালকেল্লায় আজাদ হিন্দ ফৌজের বিচারের সময়ে সারা দেশে উন্মাদনা। ইতিহাস সৃষ্টিকারী সেইসব সৈনিকদের দেখবেন বলে ছুটেছেন কলকাতার পার্কে, ময়দানে। বহুদিন বাদে আবার তারা নিতান্ত আপনজন, তখন তাদের মুখেই শুনেছেন সেসব দিনের কথা। লেখিকার হাত ধরে এমনি অনেক হারানো ঠিকানায় আমরাও ঢুকে পড়ি।

Authors:
কৃষ্ণা বসু

কৃষ্ণা বসু ছিলেন এক বহুমুখী প্রতিভা, বাংলা ও ভারতের জনজীবনে এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। জন্ম ২৬ ডিসেম্বর ১৯৩০, ঢাকায়। পিতা চারুচন্দ্র চৌধুরী ছিলেন সুপণ্ডিত, মাতা ছায়াদেবী চৌধুরাণী। ডিসেম্বর ১৯৫৫ থেকে বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ও প্রখ্যাত শিশু-চিকিৎসক শিশিরকুমার বসুর সহধর্মিণী।

কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর হওয়ার পর চল্লিশ বছর কলকাতার সিটি কলেজ (সাউথ)-এ অধ্যাপনা করেন, আট বছর কলেজের অধ্যক্ষাও ছিলেন। পরবর্তীকালে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে তিনবার লোকসভায় নির্বাচিত হন। সাংসদ কৃষ্ণা বসু বাংলার রাজনীতিতে হয়ে ওঠেন জনপ্রিয়, ভারতের রাজনীতিতে সর্বজনশ্রদ্ধেয়। ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র-বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারপার্সন ছিলেন।

শিশির বসুর সঙ্গে বিবাহের কয়েক বছরের মধ্যেই কৃষ্ণা কলকাতার নেতাজি ভবনে প্রতিষ্ঠিত নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত হন। ২০০০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শিশির বসুর প্রয়াণের পর থেকে আমৃত্যু কৃষ্ণা বসু নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর চেয়ারপার্সন ছিলেন। আর ছিলেন কলকাতার শিশু হাসপাতাল ইন্সটিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ-এর প্রেসিডেন্ট, শিশির যে হাসপাতালের ডিরেক্টর ছিলেন। সুগত বসু ও সুমন্ত্র বসু তাঁর কৃতী পুত্র।

প্রয়াণ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, কলকাতায়।

0 review for হারানো ঠিকানা

Add a review

Your rating