মহুলডিহার প্রশাসক হয়ে এলেন কমলিকা মুখার্জি শ্রীবাস্তব। বাণিজ্যিক সভ্যতার আক্রমণে বিপর্যস্ত অতীতগৌরবসম্বল এই জেলাশহর। এক চরম সঙ্কটমুহূর্ত চলছে দরদী প্রশাসক কমলিকার জীবনেও। এই দু’রকম সঙ্কটের এক জীবন্ত ছবি নবীন কথাকারের নিপুণ কলমের আঁচড়ে। কলকাতার দুপুরের পার্কে নিজের মনে ঘুরতে-ঘুরতে গাছেদের সঙ্গে কথা বলত লাজুক, মুখচোরা যে-মেয়েটি, কীভাবে একদিন সে পৌঁছে গেল মহুলডিহায়, কীভাবে একাত্ম হয়ে পড়ল বাণিজ্যিক সভ্যতার আগ্রাসনে ক্রমশ-পিছু-হটা আদি মানুষদের জীবনমুখী সংগ্রামের সঙ্গে... ভালোবেসে-বিয়ে-করা স্বামীর হাত ছাড়িয়ে হাতব্যাগে বাইশটি টাকা আর গর্ভে সন্তান নিয়ে কীভাবে একবস্ত্রে দিল্লি থেকে পালিয়ে আসতে হল একটি মেয়েকে... অন্তঃসত্বা একটি মেয়ের বিক্ষত অতীতকে অগ্রাহ্য করে নতুন মহিমায় কীভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করল এক পুরুষ, নীলকণ্ঠের মতো কীভাবে একাই কণ্ঠে ধারণ করল যাবতীয় বিষ... সেই সমূহ কাহিনী নিয়ে ‘মহুলডিহার দিন’। জীবনকে নতুন চোখে দেখায় এই অসামান্য উপন্যাস।