ডক্টর পৃথ্বীরাজ বর্মন লন্ডনের এক বিতর্কিত মনোবিদ। পৃথিবীর কাছে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য তিনি নিজের চিকিৎসা-পদ্ধতি নিয়ে তৈরি করতে চেয়েছিলেন একটা সিনেমা। বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সীমন্তপুরের মউলির একটা রোগ, ‘মাল্টিপল পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার’। মউলির এই রোগটার প্রথম প্রকাশ ঘটেছিল তার কিশোরী বয়সে। সেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল তার পারিবারিক যৌনলাঞ্ছনা, এক রহস্যময় বৃষ্টির রাত্রি, জিষ্ণু-সৌম্য-রুদ্রর মতো কিছু কিশোরের নানান উৎসাহ। তখনকার মতো সুস্থ হয়ে উঠলেও মউলির বিয়ের সময় নতুন করে পুরনো রোগটার প্রকাশ ঘটল। ডক্টর পৃথ্বীরাজ বর্মন ভার নিলেন মউলির চিকিৎসার। সেই সঙ্গে মউলিকে নিয়ে নিজের সিনেমার চিত্রনাট্যটা সম্পূর্ণ করতে চাইলেন তিনি। মউলি এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ঘুরতে থাকলেন মধ্যপ্রদেশের চিত্রকূট, খাজুরাহো, বান্ধবগড়ে। ক্রমশ প্রকাশ পেতে থাকল অনেক অজানা ঘটনা, অজানা সম্পর্ক, অচেনা পাপবোধের কথা। সম্পূর্ণ নতুন এক অনুসন্ধান কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ‘পাপবিদ্ধ’ উপন্যাসে।