নিকারাগুয়ার এক ক্যাথিড্রালের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় জেরবার হন লেখক। সিনোরিতা আদ্রিয়ানা এখনো এসে পৌছেনি, হার্টের সমস্যায় নির্জন এপার্টমেন্টের কাউচে সে কী পেইনকিলারের ঘোরে পড়ে আছে? দেখতে পান–ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার মারফিকে, যার স্ত্রী সম্প্রতি সুইসাইড করেছেন। এ বিপত্নীকের সাথে আদ্রিয়ানার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক লেখককে উদবিগ্ন করে। জাদুঘরের আঙিনায় লেখকের সাথে পাঠকের সাক্ষাৎ হয় দুই চীনা তরুণীর সঙ্গে— যারা নিকারাগুয়ায় এসেছে অপরিশোধিত স্বর্ণের সন্ধানে। অনিশ্চিত যাত্রার পাঠকও তাঁর সাথে শরিক হন সেইলবোটে রোলেট খেলার আমোদে । অতঃপর জনহীন এক দ্বীপে বিরল প্রজাতির কচ্ছপের প্রজনন দেখতে গিয়ে পাঠকও অবগত হন সন্দেহপ্রবণ ক্রিসটেলা ও সেন্টিমেন্টাল বিয়াংকার জীবনের নানাবিধ দ্বন্দ্ব সংঘাতের সঙ্গে। পরিশেষে আগুন-পাহাড় মমোতমবোর কাছাকাছি একটি ক্যাটল রেঞ্চে দিনযাপনের বয়ানে পাঠকও শামিল হন ক্যাম্পফায়ারে, পোষা প্যালিকানের নৃত্যপ্রবণতা, কিংবা পরকীয়ার বিষয়-আশয় তাদের করে তুলে দারুণভাবে কৌতূহলী।