প্রয়াত লেখক রেবন্ত রায়ের অসমাপ্ত উপন্যাস সম্পূর্ণ করার দায়িত্ব পায় তরুণ অমিতজ্যোতি। ‘অনল অন্তরাল’ উপন্যাসের শুরুতে দেখা যায় ১৭৩২-’৩৩ সাল থেকে এবং কাহিনির প্রাচীনতম চরিত্রদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিভাত হন শিবনাথ চট্টোপাধ্যায়, ওয়ারেন হেস্টিংস, সিরাজ-উদ-দৌলা, নবকৃষ্ণ দেব প্রমুখরা। একসময় সূত্রপাত হয় শিবনাথের বিরুদ্ধে তাঁর অবৈধ পুত্রসন্তান হেলারামের নিরুচ্চার শত্রুতাসাধনের। ঘটনার নৃশংসতায় কাহিল অমিতজ্যোতির মন থেকে থেকেই বিদ্রোহ করে, ছেদ টেনে দিতে চায় উপন্যাসে। কী হবে শেষপর্যন্ত? প্রায় তিন শতাব্দের পর, আজও কি রাজা শিবনাথ রায়ের রক্ত কারও শরীরে বইছে?
‘অঝোর মৌসুমি’ উপন্যাসে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বনাম সামাজিক পরিচিতি, উচ্চাশা বনাম ভালবাসা, উন্নয়ন বনাম পরিবেশ, উন্নতির পথে সামাজিক বৈষম্য, জটিল এই ঘাত-প্রতিঘাতে রচিত হয় আখ্যানে যুগপৎ সমান্তরাল ও সম্পৃক্ত দুটি ধারা। একদিকে এক বিদ্যুৎপ্রকল্প, আর একদিকে সম্পর্ক। শাওনগঞ্জ বিদ্যুৎপ্রকল্পের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিক্রমজিৎ বেতালের যুদ্ধ কার বিরুদ্ধে?
এগিয়ে চলার লক্ষ্যে স্বপ্নজিৎকে সে কি পথের পাশে বর্জন করবে? জিয়ার সঙ্গে তার যত যুদ্ধ, তত প্রেম। কেন?