চুঁচুড়া থেকে সুদূর বাটাভিয়া বা জাভায় পাড়ি দিয়েছিল যে ওলন্দাজ বণিক, সে কি চারশো বছর আগে বাঙ্গালী বন্ধুকে উপহার দেবার জন্য নিয়ে এসেছিল জাভার প্রাচীন রাজবংশের কোনও মহামূল্যবান প্রত্নসামগ্রী? কালের কালী মেখে বাঙ্গালী বন্ধুর উত্তরপুরুষরা হয়ে উঠছিল কুখ্যাত ডাকাত। সে কাহিনি ইতিহাসে হারিয়েছে। বর্তমানে ছুটিপুর গ্রামে থাকার মধ্যে রয়েছে শুরু সেই হানাবাড়ি, ভেঙ্গে পড়া পরিত্যক্ত প্রাসাদটি। যে ডাকাত বাড়িতে গ্রামের মানুষজন ভূতের ভয় পায়। শুধু সেই বাড়ির দিকে চেয়ে ওই গ্রামের এক অনুসন্ধিৎসু স্কুল মাস্টারের মন হারিয়ে যায় অজানা ইতিহাসে। এক রাত্রে সে কিছু রহস্যজনক ঘটনার সাক্ষী হয়। সেই খবর শোনায় বিখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ ভুবনমোহন মুখোপাধ্যায়কে। তিনি তাঁর তিন ক্ষুদে অনুগামী দিঠি, কল্প্য আর সূনৃতকে নিয়ে আসেন ছুটিপুরে। কিন্তু কোথায় সেই মাস্টার মশাই? ভুবনদাদুর টিমকে নেমতন্ন করে তিনি নিজেই কোথায় হারিয়ে গেলেন হঠাৎ করে? ছুটিপুরের হানাবাড়িতে কি আজও গোপনে লেখা আছে প্রাচীন জাভা দেশের কোনও ভয়ানক রহস্য?