রাশেদ এবং লামিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা একে অপরকে অনুভব করে গভীরভাবে। রাশেদ বাবার দ্বিতীয় সন্তান। বড় বোন নীতি প্রেম করে বিয়ে করেছে। বাবা সেজন্য কিছুটা অসন্তুষ্ট।
লামিয়ার বাবা নেই। শৈশবে বাবা মারা যাবার পর রাজন পরদেশীর সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে হয় লামিয়ার মায়ের। লামিয়া চারুকলার ছাত্রী। তার ছবি এশিয়ান আর্ট এক্সিবিশনে পুরস্কৃত হয়েছে। ছবি আঁকা ছাড়াও গান গায় লামিয়া। প্রফেশনাল সংগীত শিল্পী হবার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু গানটা লামিয়া ওভাবে করতে চায় না।
রাশেদ বাংলার ছাত্র। কবিতা লেখে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সুনাম আছে। চাকরির জন্য ইন্টারভ্যু দিয়েছিল। এনজিওতে চাকরি হয়েছে, হয়তো জয়েনও করবে। বাবার গাড়ির ব্যবসা আছে। সুখ-সমৃদ্ধি যখন সংসারে টইটম্বুর ঠিক তখনই মৃত্যু ঘটে রাশেদের মায়ের। মামা আলী মনসুর মায়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বোবা বনে যায়।
কী এমন ঘটনা আছে মায়ের মৃত্যুর পেছনে! যার জন্য মামা নির্বাক হয়ে যেতে পারেন?
মায়ের মৃত্যুর দেড় মাসের মাথায় আনুষ্ঠানিকভাবে লামিয়ার সঙ্গে রাশেদের বিয়ে হয়। হানিমুনে যায় তারা কক্সবাজারে। হোটেল রুমে লামিয়াকে অভ্যর্থনা জানায় এক অচেনা ছেলে। কে সেই ছেলে, যাকে দেখে লামিয়াও থমকে যায়?
প্রেম-ভালোবাসা বিষয়ক হাজারও প্রশ্ন রাশেদের কবিমনকে ব্যথিত করে। সে সিদ্ধান্ত স্থির করতে পারে না।