ব্যাপারটা হয়তো পুরোপুরি আকস্মিক, তবু অস্বীকার করা যাবে না যে, যেখানে গোগোল সেখানেই বিপদ। আর বিপদ যেহেতু গোগোলের পদে-পদে বিচরণশীল, ফলে শিলংয়ের মতো মনোরম জায়গায় বেড়াতে গিয়েও শান্তি নেই। সেই শিলং, যেখানে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ছিলেন একসময়। এমন-কি যে-অঞ্চলে ছিলেন তিনি, সেই রিলবংয়েরই খুব কাছের একটা বাড়িতে সেবার উঠেছিল গোগোলরা। কিন্তু সে-বাড়ি দেখবে কী, তার আগেই গোগোল জড়িয়ে পড়ল অদ্ভুত এক রহস্যে। স্থানীয় গল্ফ-গ্রাউন্ডে সবাই যখন খেলা দেখতে মগ্ন, খুদে গোয়েন্দা গোগোল তখনই দেখতে পেল বিদেশী সেই গাড়িটাকে। দেখল, কালো কাপড়ে জড়ানো একটা মৃতদেহ কীভাবে গাড়িটা থেকে পাচার হচ্ছে। ফলে যা হয়। শুরু হল গোগোলের দুঃসাহসিক অভিযান। প্রায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা কষা। সঙ্গে আবার সমবয়সী এক কিশোরী। শেষ পর্যন্ত কীভাবে উদ্ধার পেল তারা, কীভাবে ধরা পড়ল নৃশংস এক অপরাধী, তাই নিয়েই এই তীব্র রোমাঞ্চকর উপন্যাস।