ডিটেকটিভ অলোকেশ রয় এখন অস্ট্রেলিয়ান শহর মেলবোর্নে। সঙ্গে উর্বীও আছে। উদ্দেশ্য মূলত ক্রিমিনোলজির উপর পেপার উপস্থাপন করা হলেও এই শহরে পা দিতে না দিতেই তিনি এক ভয়ংকর রহস্যের জালে জড়িয়ে যান। জঘন্য সিরিয়াল কিলার কেইন স্টুয়ার্ট ভিকটিমের শরীর অবশ করে ধারালো ক্ষুর দিয়ে তার নাক কেটে নেয়। ক্রাইম রিপোর্টার রিনি সেন ও সুইনবার্ন ইউনিভার্সিটির সাইকোলজির প্রফেসর রিচার্ড কিম অলোকের সঙ্গে তদন্তে যোগ দেন। মধ্যরাতে কারো গোঙানির শব্দ শুনে তার ঘুম ভাঙে, দরজা খুলে দেখেন নাককাটা টনির প্রায় মরো মরো অবস্থা। নেশাজাতীয় ওষুধের কারণে স্মৃতি হারায় বেচারা টনি, সে তার নিজের নামটাও মনে করতে পারে না। কিছু দিন পরে ইয়ারা নদীতে শহরের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রিও’র লাশ পাওয়া যায়। একই কায়দায় তাকে খুন করা হয়েছে। মারবার আগে শিকারি কেটে নিয়েছে তার সুঁচালো নাক। সহসাই আরো একটি নাম সামনে এসে যায়- লুসি কাবেরি। একের পর এক অঘটনের ফলে নড়েচড়ে বসলেন মেলবোর্ন পুলিশ। চিফ কমিশনার গ্রাহাম অ্যাশটন বাহাত্তর ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন, নইলে তার চাকরি যায় যায়। বসের চাকরি বাঁচাতে ডিটেকটিভ অলোকের সঙ্গে মাঠে নামলেন বেলফিল্ড থানার চৌকস ইন্সপেক্টর গ্রোভার হুক। দেখুন শেষঅব্দি কী হয়! উর্বী আর লেডি কনস্টেবল জেসিকার কারণে নাককাটা কিলারের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান দুঁদে ডিটেকটিভ অলোকেশ রয়।