মণিমেলার ভাইবোনেরা ১৯৬৩ সালের বিকেলের এক বৃষ্টিতে লাইব্রেরি ঘরে বসে আবদার করছে, গল্প বলো! তখন বলেছি ড. টাকাশি কেশোরুগীর সঙ্গে প্রথম আলাপের পর ব্যাঙের কামড় খাবার ঘটনা। সন্দেশে ছাপা হয়েছে কাহিনি, আর ড. কেশোরুগী অন্য ঝামেলায় টেনে নিয়ে গেছেন আমাকে, নকুলকে আর প্রসাদকে। মধ্য-এশিয়ার শকদের কবরখানায় পাওয়া গেছে এক সোনার কলকে আঁকা কিছু আর ছিপি আঁটা সোনার ছোট্ট বোতল। অদ্ভুত রাসায়নিক জৈবিক মারণাস্ত্রের কেমিক্যাল বায়োলজিকাল ওয়ার ফেয়ারের ফর্মুলা যেন। তার দেড় বছর পর মধ্যপ্রদেশের মন্দিরের বাগান থেকে স্বাধীন-সভ্য বাঁদর চুরি, রাশিয়াতে যাচ্ছে। কোথায়? যেখানে জৈবিক-মারণাস্ত্রর পরীক্ষা হয়, সেখানে কি? সঙ্গে সঙ্গে অদ্ভুত রোগ ধরা পড়েছে আফগানিস্তান-তাজিকিস্তানের সীমান্তে, যা ওষুধে সারে না। ছড়ালে মহামারী হবে। ওখানে কেন? কোত্থেকে এল এই নতুন জীবাণু? কে করেছে তৈরি? কেনই বা করেছে? আমাদের তিনজনের ডাক পড়েছে ড. কেশোরুগীর অভিযানে। আমাদের কাজ দুর্বৃত্তদের খুঁজে বার করা, অন্তত তা-ই জেনেছি! সেটাই কি কারণ? কারণ যদি এ-ই হয়, তো আমাদের মতো চুনোপুঁটি ক্লাস ইলেভেনের ছাত্ররা অজানা মধ্য-এশিয়াতে কাজের কাজ কিছু করে উঠতে পারবে কি?