সকল বই

মাৎস্যন্যায়

মাৎস্যন্যায়

Author: ব্রাত্য বসু
Delivery Time: 25-45 Days , Cash on Delivery Available
  • বই উপহারঃ বই উপহারঃ
    বিস্তারিত
  • বই উপহার.. বই উপহার..
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফারঃ কম্বো অফারঃ
    বিস্তারিত
  • কম্বো অফার.. কম্বো অফার..
    বিস্তারিত
  • ফ্রি ডেলিভারিঃ ফ্রি ডেলিভারিঃ
    বিস্তারিত
Price: ৳ 700.00
+ Add to Wishlist
Publisher আনন্দ পাবলিশার্স
ISBN9789354252778
Pages120
Reading Level General Reading
Language Bangla
PrintedIndia
Format Hardbound
Category চলচিত্র-নাটক-সংগীত
Return Policy

7 Days Happy Return

শ্রীকণ্ঠ রাজ্যের সিংহাসনে বসলেন পুষ্যভূতি বংশের জ্যেষ্ঠ পুত্র রাজ্যবর্ধন। মধ্যম ভ্রাতা হর্ষবর্ধন কি অধিকার ছেড়ে দেবেন? তিনি যে বিশ্বাস করেন জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার থেকে কূটকৌশলে ও চাণক্যনীতিতে তিনি অধিকতর পারদর্শী। রাজ্যবর্ধনের সিংহাসন আরোহণের পূর্বে, মাতুলপুত্র ভণ্ডি রাজপুরুষগণদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, এই দুই অকালকুষ্মাণ্ড ভ্রাতৃদ্বয় মূষিকের মতো পারস্পরিক দংশনে ও উচ্চাভিলাষে শ্রীকণ্ঠের অধীশ্বর হতে চাইছে, কিন্তু শুধু রাজধানী স্থানেশ্বর নয়, সমগ্র শ্রীকণ্ঠবাসী সর্বসম্মতিক্রমে সেনাপতি মহাবাহু-কে সমগ্র জনপদের শাসকরূপে স্থির করেছেন। পরবর্তীতে মহাবাহু সম্রাট মনোনীত করেন রাজ্যবর্ধনকে। ভণ্ডি ও শীর্ষস্থানীয় অমাত্যরা এই সিদ্ধান্তকে স্বীকার করে নেন। অন্যদিকে মহাবাহুর কন্যা ললন্তিকা আর শ্রীকণ্ঠ রাজ্যের কনিষ্ঠ রাজপুত্র কৃষ্ণবর্ধন, গৌড়েশ্বর শশাঙ্কর কাছে যান এই আশা নিয়ে, মালবাধিপতি দেবগুপ্তকে নিয়ে  তিনি যেন সসৈন্য শ্রীকণ্ঠ রাজ্য আক্রমণ করেন। প্রতিশ্রুতি একটিই, সিংহাসনে বসবেন হর্ষবর্ধন। ঘটনাক্রম অগ্রসর হলে দেখা যায়, কৃষ্ণবর্ধন মৃত। ললন্তিকা ধর্ষিতা। শশাঙ্ক হত্যা করেন রাজ্যবর্ধনকে। রাজ্য অধিকারের নানা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন হূন রানি মূলা, দুরাচারী তান্ত্রিক গুণাঢ্য, মানবদেব। অন্তিমে হর্ষবর্ধন চান শান্তির পুনর্বাসন। নতুন দিনের শপথ: নিজে শৈব হলেও বৌদ্ধধর্ম থেকে সমস্ত ধর্মের প্রতি থাকবেন পক্ষপাতহীন, সশ্রদ্ধ। ঐতিহাসিক এই নাটকের প্রতিটি অঙ্কে টান পড়েছে চরিত্রদের আকাঙ্ক্ষায়, সম্পর্কের সুতোয়— বারংবার।  

Authors:
ব্রাত্য বসু

বিনির্মাণ। নাটক বিনির্মিত হয় সময় আর জীবনের পারস্পরিক প্রতিবিম্বে। জীবন কি কখনও নাটকের পাশে দাঁড়িয়ে খোঁজে তার আত্মিক বোধিসত্ত্ব? নিজেকে চিনতে পারার অমৃত ও হলাহলে মাখানো সেই অনুভব। সেখানে প্রেম আছে, প্রতিহিংসা আছে, অনুরাগ-এর পাশে রিরংসা আছে, সামাজিক মূল্যবোধের আঙিনায় রাজনীতির অনুপ্রবেশ আছে। আর এইসব খণ্ডচিত্র সাম্প্রতিককালে যাঁর নাটকে সব থেকে বেশি অর্থবহ হয়ে নাটক ও জীবনকে দুটো কক্ষপথে আবর্তিত না করে একই ঘরের দুটো জানলার মতো সমান আলো ও বাতাস দিয়েছে—তাঁর নাম ব্রাত্য বসু। কোনও সংজ্ঞা নির্দেশ নয়, কোনও তত্ত্বের তর্কজালে না জড়িয়েই জীবনের সমস্ত আনাচ-কানাচ দাপিয়ে বেড়ায় ব্রাত্যর প্রতিটি নাটকের প্রতিটি সংলাপ। আমি, তুমি, আপনি, তুই হয়ে ঘুরে বেড়ায় আমাদের সমস্ত সত্তার চলচ্ছবি তাঁর নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে। জীবনের মুখোমুখি জীবন দাঁড়িয়ে একে অপরকে প্রশ্ন করে যায় জন্ম থেকে মৃত্যুর সীমানা পর্যন্ত। সাহিত্যের কোনও ঘেরাটোপ বা তত্ত্বের কোনও বেড়াজাল আটকে রাখতে পারে না ব্রাত্যর প্রতিটি নাটকের সীমাহীন বৈচিত্র্যের আকাশ। অগুনতি রংয়ের রামধনু। দুটি খণ্ড আগে বেরিয়েছে। গত বছর পাঁচেকের সময়কালের মঞ্চসফল বারোটি নাটক নিয়ে এবার নাটকসমগ্র ৩য় খণ্ড। জীবনের আপাত জতুগৃহে মানুষরূপী জীবজন্তু আপাতত হয়তো দুটো দিনের দেখাসাক্ষাতে পেয়ে যায় কোনও এক সুপারি কিলারের হদিশ অথবা আনন্দীবাঈয়ের প্রেম। সিনেমার মতো জীবনের পাতায় হেঁটেচলে বেড়ায় আলতাফ্‌ গোমস্, ইলা-গুঢ়ৈষার অনুভূতি ছাপিয়ে কেউ যেন বাজিয়ে দেয় জীবনেরই ফোর্থ বেল আর কে যেন মূঢ়তার বারুদ সঞ্চয় করতে করতে ছুড়ে দেয় এক বিধ্বংসী বোমা। নাট্যকারের সন্ধানে এইসব চরিত্রেরা হেঁটে চলে ফিরে বেড়ায় ব্রাত্য-র নাটকের এক অঙ্ক থেকে আরেক অঙ্কে যেখানে নাট্যকারকে চ্যালেঞ্জ করে খোদ নাটক-ই। বিনির্মাণ।

0 review for মাৎস্যন্যায়

Add a review

Your rating