নায় মন ছিল না হরিবন্ধুর সবাই ধরে নিয়েছিল, ওই গবেট ছেলেকে দিয়ে কিস্যু হবার নয়। ক্লাস সেভেনে তিন-তিনবার ফেল করা হরিবন্ধুকে তাই পাঠানো হল সাঁওতাল পরগনার মোতিগঞ্জের একটা ইস্কুলে। এমনিতে ভারী স্বাস্থ্যকর জায়গা মোতিগঞ্জ। লেখাপড়ায় অমনোযোগী ছেলেদের মতি ফেরাতে ইস্কুলটারও খুব নামডাক। কিন্তু মোতিগঞ্জের আকাশে বাতাসে অদ্ভুত এক কিংবদন্তী। দয়ালু এক পাগলাসাহেব সেই কবে খুন হয়েছিলেন ডাকাতের হাতে। সেই সাহেবের গলায় নাকি লাখ-লাখ টাকা দামের একটা মাদুলি রয়েছে। মাদুলিসুদ্ধ পাগলা-সাহেবকে খুব গোপন একটা কবরে সমাহিত করা হয়েছিল। পাগলাসাহেবের সেই কবর খুঁজে বেড়ায় নানান লোক। হরিবন্ধুও কীভাবে জড়িয়ে পড়ল এই কবর-খোজার ব্যাপারে, কেমন করে খুঁজে পেল পাগলাসাহেবের ঠিকানা, দারুণ রেজাল্ট করে কী করে ইস্কুলে পেল ডবল প্রোমোশন—তাই নিয়েই অদ্ভুতুড়ে গল্পের রাজা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কলমে এই দুর্দান্ত কৌতূহলকর উপন্যাস।