ভেবেছিলাম আরেকবার ঘুরে দাঁড়াব। অন্ধগলির মােড়ে প্রজ্জ্বলিত শিখার মতাে খুলে দেব সবকটি পথ। হাওয়া এসে, রােদ এসে ভরে দেবে এই সংসার। কিন্তু পৃথিবীটা যেন কেমন! এখানে সবকিছু থেকেও কোথাও যেন না থাকার একটা অজ্ঞাত ফাক আছে। আর ওই চোরাপথ দিয়েই মানুষকে হারাতে হয় অনেক কিছু।
কিছু স্মৃতি স্বপ্নের মধ্যেও হত্যা করে আমাকে। অসংখ্য ভুলের। ভেতর থেকে উঠে গিয়ে আমি জ্বালাতে চেয়েছি নক্ষত্রবাতি। যেন অন্ধকারেও তােমার হাঁটতে সুবিধা হয়। নক্ষত্রের ওই । আলাে তােমাকে নিয়ে যায় অন্যতর এক আলাের সন্ধানে। ভােররাতে, আকাশের ক্ষীণ তারাটি ফিসফিসে সুরে বলে । যায়—শূন্যস্থান অপূর্ণ থাকে না কখনাে।
বেদনার একটা বিশাল পাহাড় ভেঙে পড়েছে আমার অস্তিত্বের। ওপর। আমি যেন কারাে হাত ধরতে চাইছি; হাতটি অদৃশ্য। হয়ে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হতে চলেছে। অন্ধকারে কেউ একজন চুপি চুপি বলছে—নিঃসঙ্গ মানুষের কাছে জ্যোৎস্না। চেয়াে না, তাকে একাই থাকতে দাও!