হানাবাড়ি বা ভূতুড়ে বাড়ি বলতে আমরা সাধারণত পুরোনো ও পরিত্যক্ত স্থান বা বাড়িকেই বুঝি। আর 'হানাবাড়ি' নামটার মধ্যেই কেমন যেন একটা গা-ছমছমে ব্যাপার আছে। আছে রহস্যের গন্ধ। এই স্থান বা বাড়ি দেখলেই একটা আলাদা অনুভূতি হয়। হয়তো তার প্রাচীনতা এর অন্যতম কারণ।
তবে একটা বিষয় পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই দেখা যায়। এসব বাড়ি বা স্থান বেশির ভাগ সময়েই এড়িয়ে চলেন অধিকাংশ মানুষ। এমন স্থান বা বাড়িই নাকি নানা বিদেহী আত্মা বা অজানা শক্তির অবাধ বিচরণক্ষেত্র। কখনো মধ্য দুপুরে বা অধিকাংশ সময়েই রাতের দিকে এসব স্থান বা বাড়ির রহস্য নাকি ঘুম ভেঙে জেগে ওঠে। আর সেসবের অস্তিত্বও নাকি অনেকেই টের পান!
পৃথিবীজুড়ে এ বিষয়ে যত তথ্য ও বিবরণ রয়েছে, সব কিছু আয়ত্ব করার ক্ষেত্রে একটি বই স্বাভাবিক কারণেই যথেষ্ট নয়। এই বইতে সমস্ত ভূতুড়ে বাড়ির কথা আলোচনা করাও সম্ভব হয়নি। এর আগেও এই বিষয়টি নিয়ে আমার আরেকটি বই প্রকাশিত হয়েছিল। পাঠকের চাহিদার কথা বিবেচনা করে পৃথিবীর আরো কিছু বিখ্যাত ভূতুড়ে বাড়ি নিয়ে বর্তমান বইটি সাজানো হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, এই বইটি কোনো উপন্যাস বা উপন্যাসের সংকলন নয়। এখানে যেসব কাহিনী লেখা হয়েছে সবই তথ্যনির্ভর। মনগড়া কাহিনি দিয়ে এখানে কোনো ঘটনার ব্যাখ্যা করা হয়নি।