জাস্টিজ মাওলানা তকী উসমানী সাহেব রুচি ও প্রকৃতি বিচারে হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী, আল্লামা শাব্বীর আহমাদ উসমানী, মাওলানা যফর আহমাদ উসমানী এবং হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শফী সাহেব রহ.-এর ইলমী ভাণ্ডারের সংরক্ষক। এজন্য এসব বুযুর্গের মত হযরতের ফতোয়াগুলোরও সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এগুলোর মধ্যে বিশ্লেষণ ও ভারসাম্যের বিশেষণ স্পষ্ট।
• এই সংকলনের মধ্যে আধুনিক বিষয়েরও কতগুলো ফতোয়া আছে। প্রথম খণ্ডে তুলনামূলক কম । অবশ্য পরবর্তী খণ্ডগুলোতে বিশেষত ফিকহুল মুআমালাত— যার উপর হযরতের বিশেষ পাণ্ডিত্য আছে— সম্পর্কে বেশ কিছু আধুনিক ফতোয়া আছে ।
• এমনিতে সাধারণ অসাধারণ সবার নিকট হযরতের রায়কে অত্যন্ত বিশ্লেষিত এবং নির্ভরযোগ্য মনে করা হয় । তা ছাড়া কোন ফতোয়ার নির্ভরযোগ্য হওয়ার জন্য হযরতের অনুমোদনই যথেষ্ট মনে করা হয় । কিন্তু এই ফতোয়াগুলোর একটি অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এগুলোর মধ্য থেকে অনেক ফতোয়ার উপর মুফতী আ'যম পাকিস্তান হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শফী রহ., হযরত মাওলানা আশেকে এলাহী সাহেব (বুলন্দশহরী) রহ., হযরত মাওলানা সাহবান মাহমুদ সাহেব রহ., হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ রফী উসমানী সাহেব দামাত বারাকাতুহুম-এর অনুমোদনমূলক দস্তখত রয়েছে। যে কারণে এই ফতোয়াগুলোর নির্ভরযোগ্যতা আরও শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে ।
• ফতোয়ায় হযরত মুফতী সাহেবের বিভিন্ন হাওয়ালা এবং সেগুলোর পাশাপাশি টীকায উল্লিখিত এবারত ও হাওয়ালাসমূহের কারণে সাধারণ মানুষ বাদে উলামায়ে কেরাম, বিশেষত ফতোয়া গবেষকদের জন্য এই ভাণ্ডার থেকে পরিপূর্ণরূপে ইলমী ও তাহকীকী ফায়দা গ্রহণ করতে পারবেন।